Saturday, 21 March 2020

Ek chahat hai daba huya kahi.

Ek chahat hai daba huya kahi.
Ek khayal hai dhundla sa kahi.
Kamal ke patton par shabnam si
Ek intezaar hai thartharati kahi..
Mann hai uska parindo sa,
Par use Azad na kar saka.
Gham hai uska ghane badal jaisa
Par use barsa na saka.
Kabhi wada kya kiya tha woh
Jo patthar ban gaya dil uska.
Kabhi khwab Kya dekha tha usne
Jo andhio sa ban gaya har ek saans uska.
Woh insaan hi Kya!
Bahut shiddat se jo na pala ho lachaari apni.
Wohi ehsaas hai daba huya sa kahi,
Wohi mohabbat hai dhundla huya sa kahi..
Aey jism mubarak ho tujhe ruhaniyat teri,
Ek farmaish hai, jal ja tu abhi...

Wednesday, 4 March 2020

"সখী ভালোবাসা কারে কয়"..

পৃথিবীর কোনো এক প্রান্তে কোনো এক কানা গলির শেষের বাড়ীটা।
পলেস্তরা খসে যাওয়া দেয়ালগুলো গায়ে এখনো চেনা মানুষের গন্ধ মেখে দাঁড়িয়ে আছে।
এবড়ো খেবড়ো ইঁট গুলো দাঁত বের করা হাসি ঝুলিয়ে রেখেছে মুখে।
বেমানান বটে তবে ওদের নাম 'স্মৃতি'।  
আর পোড়োবাড়িটার ঠিক মাঝখানে, বুকের ওপর অর্ধেক ধসে যাওয়া ছাদ, দু-একটা মহীরুহ,  কিছু ঝোপঝাড় পোকামাকড় ও সাপখোপ আগলে কোনো মতে বেঁচে থাকা উঠোনটা, 
ওর নাম হল 'মায়া'।..

লোকাটা আজও চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে বাড়ীটার সামনে,  অপলক চোখে চেয়ে আছে দোতলার ভাঙা জানলার লোহার গরাদের দিকে।
এ গলির হাওয়াও ওকে চেনে -
ওর নাম 'প্রথম প্রেম'।


পুনশ্চঃ ও 'ভালোবাসা'।।

Sunday, 2 February 2020

"বাঁশির করুণ ডাক বেয়ে..."



সারাদিন যন্ত্রের মত জীবনটা কাটানোর পর,
ঠিক বিকেলের দিকে সব পাল্টাতে শুরু করে।
সূর্যের তেজ কমে আসে, সোনালী রেখার  
আঁকড় লাগে মেঘেদের গায়ে, পাখিদের মধ্যে কেমন যেন ব্যাস্ততা বেড়ে যায়। 
আর তখনই শরীরের মধ্যে কি কি যেন ঘটতে শুরু করে! 
গায়ের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে থাকে, মাথার মধ্যে কত শব্দ এলো মেলো দানা বাঁধতে থাকে, গলার কাছে কিছু অনামী সুর বাউন্সিং বলের মত লাফাতে থাকে...
আর মানুষটা তখন বুকের বাঁ দিকটা চেপে ধরে, তালগোল পাকতে থাকা হৃদপিন্ডের ধুকপুকানি টা সামলাতে সামলাতে অলি গলি পেড়িয়ে এসে দাঁড়ায় বড় রাস্তার মোড়ে।
মানুষটা ভাবতে থাকে সেই কবে কোন যুগে শেষ বিকেল দেখেছিল, প্রান ভরে নিঃশ্বাস নিয়েছিল, সোনালী স্বপ্নের হাতে হাত রেখে বলেছিল, "ভালোবাসা "!

কে যেন একটা সাদা কাগজ ধরিয়ে দেয় হাতে।     মানুষটার চোখে ঘোর লাগে।
তখন শহরের পশ্চিম দিকে কোনো ফ্লাইওভার এর পাশে সার বেঁধে দাঁড়িয়ে থাকা উঁচু বাড়ি গুলোর পেছনে লাল সূর্য লুকোচুরি খেলতে খেলতে হঠাৎই হারিয়ে যায় ধূসরে। 

শহরে সন্ধ্যে নামলে মানুষটার গায়ে ধূম জ্বর আসে। 
চোখ ঘোলাটে, নিঃশ্বাস পড়ছে কিনা, হৃদপিণ্ড চলছে কিনা বোঝা দায়!
স্ট্রিট লাইটের আলোছায়া গায়ে জড়িয়ে, সাদা কাগজ হাতে, টলতে টলতে মানুষটা রাস্তার ঠিক মাঝখানে এসে দাঁড়ায়। 
হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে তার মনে পড়ে যায় ফেলে আসা সেই স্বপ্নের মুখ...
তারপর, লাল রঙ পড়ে কাগজে - 
ভেসে যায় ভালবাসা।
মানুষটার নিথর শরীর শুয়ে থাকে রাস্তায়,  সারা রাত ধরে, শান্ত বুকে যেন সেই ধলেশ্বরী নদীর তীরের অনন্ত গোধূলি লগ্নের প্রতীক্ষায়।।

Thursday, 26 December 2019


সারাদিন প্রতিটা আঙুলের ডগা থেকে 
বিন্দু বিন্দু করে শব্দ ঝরে পড়ে মাটিতে।
কপালের ঘামে ভেজা এক একটা অক্ষর 
ঘাড় বেয়ে শিরদাঁড়া বরাবর নেমে যায় পা-এর পাতায়।
তারপর হোঁচট খেতে খেতে, মিশে যায় ধূলো বালিতে।
মাথার মধ্যে জ্বলতে থাকা আঙরার ভাপে,
বুকে জমে থাকা শব্দ গুলো গলতে থাকে অল্প অল্প করে, সারাটাদিন ধরে। 
চোখের সামনে অথচ অগোচরে খুব সন্তর্পণে প্রতিদিন অজস্র শব্দ আমাদের শরীর ছেড়ে,
মিশে যায় হাওয়ায়, জলীয় বাষ্পের মত।
সন্ধ্যের দিকে, নিরাপদ দূরত্বে, ঠিক দীগন্ত রেখা পেরিয়ে, সব শব্দরা হয় জড়ো।
আর ছায়া পড়ে আকাশের গায়ে। 
সূর্য পশ্চিমে হেলে যায় যত, সেই ছায়া হয় দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর।
রাতে বৃষ্টি পড়ে,
শরীরেরও বুঝি মনকেমন করে - 
হারানো শব্দের টানে।
রাতে বৃষ্টি পড়ে তাই, ছায়াদের নামে।।




Wednesday, 27 November 2019

সাধারণ একটা ভোর..

নিছক সাধারণ একটা ভোর..

ভালোবাসা যেন হালকা পালকের মত মেঘ,
ঢেকে থাকবে গায়ে, অথচ
সহজে বোঝা যাবে না - 
আছে কিন্তু নেই, নাকি নেই তবু আছে!
চোখে চোখ রাখলেই দূর থেকে ছুটে আসবে
একদল বেখেয়ালি হাওয়া - 
আর হাওয়ার ধর্মই যা, ঘিরে রাখবে
অদৃশ্য আঁচলের মত।
আরও কাছাকাছি আসলেই, সারা শরীরে 
সূক্ষ্ম তড়িৎ প্রবাহ - 
ঠিক লতানো গাছের মত জড়িয়ে ধরবে
হাতের আঙুল, কাঁধ, গলা - তারপর -
ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেই হবে সূর্যদয়।
আকাশের কাছাকাছি  লালচে দীগন্তে তখন
মুশলধারে বৃষ্টি নামবে...

আর ভেজা মাটিতে  স্যাঁতসেঁতে সকালে 
কুয়োর ব্যাঙগুলো  জানতেও পারবে না,
মেঘেদের ওপারে অন্য একটা  আকাশে 
দুটো মানুষ কি ভীষণ ভাবে 
দুজনের প্রেমে পড়ে গেছে।।

Sunday, 10 November 2019

ঘর

আমার একটা ঘর আছে এই সংসারে।
বুকের কাছের বড়ো আপন সে ঘর,
ঠিক যেমনটা সবার থাকে।
সেই ঘরে নীল আকাশ থাকে, 
সবুজ ঘাসের মাঠও থাকে।
শান্ত স্নিগ্ধ হাওয়া থাকে, 
মিষ্টি ফুলের গন্ধ থাকে। 
রামধনু রঙ স্বপ্ন থাকে। 
একটাই ঘর, 
যে ঘরে ভালোবাসার ভরসা থাকে। 
ঘরের কোনো দেয়াল নেই, নেই 
জানলা দরজা খোলা বন্ধের ঝুট ঝামেলা।
আমার সে ঘরে যদি কারোর চোখের মায়া থাকে, 
তবে তোমার ঘরে হয়ত অন্য কারো হাসির মেলা।
ঘরটা বুঝি পাহাড় কোলে, সাগর ঢেউয়েও হতে পারে। 
কিংবা রঙিন তুলির টানে মেঘের দেশে। 
হতেও পারে সে ঘর কোনো ব্যাকুল সুরে, ভিন শহরে।
ঘরটা বুঝি স্মৃতি বোঝাই, খড় আর কুটো।
ঘরটা বুঝি ইচ্ছেডানা।
কারো মনের গলি পথে, হয়ত ঘরের শেষ ঠিকানা।
সে ঘর ভীষণ দরকারি যে, সে ঘর ছাড়া বৃথাই বাঁচা।
বিশ্ব ভুবন পাড়ি দিলেও মন পাখিটার ওটাই খাঁচা।
সবার মতই আমারও একটা ঘর আছে যে,
বড্ড আপন, বড্ড কাছের একখানা ঘর -  
এ সংসারে।

Saturday, 9 November 2019

একটা নতুন সকাল হবে।
কিছু চেনা পাখির ডাকে, কিংবা alarm clock এর দাবড়ানিতে।
সকাল হবে বাড়ির ছাদে।
সকাল হবে বনসাই এর পাতার ওপর 
নরম আলোর আলতো ছোঁয়ায়।
পূর্ব দিকের জানলা গোলে ।
সারা রাতের স্বপ্ন গুলো হুরমুরিয়ে 
বেড়িয়ে যাবে।
রোজের মতই।
ঠোঁটের কোণায় অল্প হাসির সকাল হবে।
মন খারাপ আর মন ভালোতে এক কাপ চা,
things to do এর লিস্টি হাতে,
ভিড় রাস্তার traffic rule এ সকাল হবে।
নিয়ম মাফিক জীবনযাত্রা, শ্বাসকষ্টে, গলদঘর্মে,
সকাল হলেই বেঁচে ওঠার আরও একটা সুযোগ পাবে। 
নতুন একটা রাস্তা খোঁজার মহাজাগতিক  চাহিদাতে সকাল হবে।
সকাল হবে পাঁজর চিড়ে, বুকের বাঁ দিক ঘেঁষে, 
চিকণ সুতোর রুমাল মোড়া জীবনটাকে মুঠোয়  ধরে।
আকাশ জোড়া শান্ত নীলে, 
তোমার আমার সুখ দুঃখের লালচে আভায় কালকে আবার সকাল হবে।।